Skip to main content

ব্লগ

শ্বশুর – শাশুড়ির সঙ্গে হার্দিক পান্ডিয়ার প্রথম সাক্ষাত

Hardik Pandya's first meeting with In-laws

মাঠের ২২ গজে কত জনের সাথেই জুটি বেধেছেন ভারতের তারকা অলরাউন্ডার হার্দিক পান্ডিয়া। তবে ব্যক্তিগত জীবনে নাতাশা স্ট্যানকোভিচের সঙ্গে আনুষ্ঠানিকতাভাবে জুটি বেঁধেছেন প্রায় বছর দুয়েক হলো। ইতোমধ্যে হার্দিক পান্ডিয়া এবং নাতাশার ঘর আলো করে এসেছে একটি পুত্রসন্তানও।

তবে অবাক করা বিষয়, এই দুবছর শ্বশুরবাড়ির কারো সঙ্গে দেখা হয়নি হার্দিকের। এতদিন শ্বশুরশাশুড়ি এবং সে বাড়ির অন্যান্যদের সঙ্গে হার্দিকের যোগাযোগ কেবল ফোন কল কিংবা ভিডিও কলেই সীমাবদ্ধ ছিল। ক্রিকেটীয় ব্যস্ততা হার্দিককে যে দেয়না ছুটি। 

এতদিন ব্যস্ততার কারণেই শ্বশুরবাড়ি যাওয়া হয়নি হার্দিকের। জাতীয় দলের ব্যস্ত সূচি, সেই ফাঁকে আবার ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) মতো মেগা আসরের ব্যস্ততা। বয়স বাড়ার সাথে বাইশ গজের দায়িত্বটাও বাড়ছে গুজরাট টাইটান্স অধিনায়কের। নাতাশার বাবামাও যেন কোনোভাবেই নাগালে পাচ্ছিলেন না জামাতাকে।

তবে এবার সেই অপেক্ষার পালা শেষ। আসন্ন বিশ্বকাপ খেলতে যাওয়ার আগেই শ্বশুর বাড়ির লোকজনদের সঙ্গে দেখা করতে গেলেন হার্দিক। সবার সঙ্গে সাক্ষাতের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করেছেন হার্দিক নিজেই। একে একে সকলের আলিঙ্গনে সিক্ত হন হার্দিক। জামাইয়ের সঙ্গে একত্র হয়েছে নাতাশার গোটা পরিবার।

উল্লেখ্য, অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টিটোয়েন্টি সিরিজ জয়ের পর এখন বিশ্রামে আছেন হার্দিক। খেলছেন না দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজেও। সেই অবসরটা কাজে লাগালেন তিনি। সাক্ষাত করে নিলেন স্বশুরবাড়ির লোকজনদের সঙ্গে। প্রথমবারের মতো শ্বশুরবাড়ির অনুভূতি নেওয়া হার্দিক জানান, তিনি খুব খুশি। নাতাশার বাড়ির সবার সঙ্গে দেখা করার মুহূর্তটা দারুণ ছিল।

অক্টোবর বিশ্বকাপ খেলতে অস্ট্রেলিয়ার উদ্দ্যেশ্যে দেশ ছাড়বে ভারত। এবার বিশ্বকাপে হার্দিক হতে পারেন ভারতের তুরুপের তাস। মেগা এই আসরে বিশ্রাম পেয়ে সতেজ হয়েই মাঠে নামছেন সময়ের অন্যতম এই ক্রিকেট তারকা।

ক্রিকেট ফ্রি টিপস | ভারত বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা ২০২২: ৩য় টি২০

ক্রিকেট ফ্রি টিপস | ভারত বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা ২০২২: ৩য় টি২০

ভারত বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা এর ম্যাচ বিবরণ

ম্যাচ: ভারত বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা, ৩য় টি২০ | দক্ষিণ আফ্রিকার ভারত সফর

তারিখ: মঙ্গলবার, ০৪ অক্টোবর ২০২২

সময়: ১৯:০০ (GMT +৫.৫) / ১৯:৩০ (GMT+৬)

ফরম্যাট: আন্তর্জাতিক টি২০

ভেন্যু: হোলকার ক্রিকেট স্টেডিয়াম, ইন্দোর।


 

ভারত বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা এর প্রিভিউ

  • তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে ভারত ২-০ এগিয়ে। শীর্ষ পাঁচ ব্যাটসম্যানের ব্যাটিংয়ের সুবাদে তারা দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ১৬ রানে জিতেছে।
  • দ্বিতীয় খেলায় দক্ষিণ আফ্রিকা দুর্দান্ত স্টাইল দেখিয়েছিল, ২৩৭ রান তাড়া করতে গিয়ে ২২১ রান করেছিল।
  • ডেভিড মিলার ৪৭ বলে অপরাজিত ১০৬ রান করে ইতিহাসের সর্বোচ্চ টি-টোয়েন্টি স্ট্রাইকগুলির একটি খেলেছেন।

 

ভারত এবং দক্ষিণ আফ্রিকা ভিন্ন মানসিকতার সাথে ইন্দোরের হোলকার ক্রিকেট স্টেডিয়ামে তিন ম্যাচ সিরিজের শেষ টি-টোয়েন্টি খেলবে। দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিকে ভারত তাদের নির্ধারিত ২০ ওভারে ২৩৭ রান করেছে। সূর্যকুমার যাদব তার দলের পক্ষে সর্বোচ্চ রান করেন, ২২ বলে ৬১ রান করেন।

দ্বিতীয় ইনিংসেও দুর্দান্ত দেখাচ্ছিল দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটাররা। টেম্বা বাভুমা এবং রিলি রোসোউ প্রত্যেকে একটি করে শূন্যে পেয়ে দলকে খারাপ শুরু করতে দেয়। তবে, কুইন্টন ডি কক এবং ডেভিড মিলার মাঠে সর্বনাশ করেছিলেন। মিলার ৪৭ বলে ১০৬ রান করে ভারতের বোলিং আক্রমণকে বিব্রত করেছিলেন।

৪ অক্টোবর মঙ্গলবার তিন ম্যাচ সিরিজের শেষ টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিকে ভারতের মুখোমুখি হলে দক্ষিণ আফ্রিকা দুই ম্যাচের হারের ধারা ভাঙতে চাইবে। দুই দল ৪ অক্টোবর ইন্দোরের হোলকার ক্রিকেট স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হবে।


ভারত বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা এর আবহাওয়ার পূর্বাভাস

আকাশ আংশিক মেঘলা ছিল, এবং খেলা শুরু এবং শেষের মধ্যে তাপমাত্রা ২৯ ডিগ্রি থেকে ২৬ ডিগ্রিতে নেমে আসে। মঙ্গলবার, বৃষ্টির বিলম্ব হবে না।


ভারত বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা এর ম্যাচ টস প্রেডিকশন

প্রথম দুই ম্যাচে টস জিতে প্রথমে বল করার সিদ্ধান্ত নেয় দুই দলই। এই খেলায়, টস জিতে কোন একজন অধিনায়ক প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিলে এটি একটি বিশাল আশ্চর্য হবে।


ভারত বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা এর ম্যাচ পিচ রিপোর্ট

ইন্দোরের এই পিচে বোলারদের জন্য স্পিন পাওয়া যাবে। ম্যাচ চলাকালীন পৃষ্ঠের উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হওয়ার সম্ভাবনা নেই।


ভারত এর টিম নিউজ এবং সম্ভাব্য একাদশ 

দ্বিতীয় টি টোয়েন্টি এর জন্য ভারতের একাদশে কোনো পরিবর্তন হয়নি, এবং আমরা আশা করি সিরিজ ফাইনালে একই বোলিং আক্রমণ ব্যবহার করা হবে। সোমবার সন্ধ্যার প্রথম দিকে, এই খেলার জন্য বিরাট কোহলি এবং কেএল রাহুলকে বিশ্রাম দেওয়া হবে বলে ঘোষণা করা হয়েছিল। ভারত পরপর চারটি I টি টোয়েন্টি  জিতেছে এবং টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে শক্তিশালী দলগুলির মধ্যে একটি হতে দেখা যাচ্ছে।

সাম্প্রতিক ফর্ম: W W W W L

ভারত এর সম্ভাব্য একাদশ

রোহিত শর্মা (সি), সূর্যকুমার যাদব, ঋষভ পান্ত (উইকেটরক্ষক), শ্রেয়াস আইয়ার, দিনেশ কার্তিক, শাহবাজ আহমেদ, অক্ষর প্যাটেল, হর্ষাল প্যাটেল, আরশদীপ সিং, রবিচন্দ্রন অশ্বিন, দীপক চাহার।


দক্ষিণ আফ্রিকা এর টিম নিউজ এবং সম্ভাব্য একাদশ

দ্বিতীয় টি টোয়েন্টি এর আগে দক্ষিণ আফ্রিকার একাদশে পরিবর্তন করা হয়েছে, পেস বোলার লুঙ্গি এনগিডি স্পিনার তাবরেজ শামসির স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন। শামসিকে ইন্দোরে এমন একটি পিচে বেছে নেওয়া হতে পারে যা স্পিনারদের পক্ষে। দক্ষিণ আফ্রিকা I দ্বিতীয় টি টোয়েন্টি এ দুর্দান্ত ফর্মে ছিল কিন্তু এখন তারা টানা তৃতীয় পরাজয় এড়াতে চেষ্টা করছে।

সাম্প্রতিক ফর্ম: L L W W W

দক্ষিণ আফ্রিকা এর সম্ভাব্য একাদশ

কুইন্টন ডি কক (উইকেটরক্ষক), ডেভিড মিলার, টেম্বা বাভুমা (সি), রিলি রুসো, এইডেন মার্করাম, ত্রিস্তান স্টাবস, কাগিসো রাবাদা, লুঙ্গি এনগিদি, কেশব মহারাজ, অ্যানরিচ নর্টজে, তাবরেজ শামসি।


ভারত বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা হেড টু হেড পরিসংখ্যান (শেষ ৫টি ম্যাচ)

দল জয় পরাজয় ফলাফল বিহীন
ভারত
দক্ষিণ আফ্রিকা

ভারত বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা – ৩য় টি২০, ড্রিম ১১

উইকেটরক্ষক:

  • কুইন্টন ডি কক
  • ঋষভ পান্ত 

ব্যাটারস:

  • কে এল রাহুল,
  • সূর্যকুমার যাদব (সি),
  • ডেভিড মিলার (ভিসি) 

অল-রাউন্ডারস:

  • অক্ষর প্যাটেল,
  • এইডেন মার্করাম 

বোলারস:

  • দীপক চাহার,
  • আরশদীপ সিং,
  • কাগিসো রাবাদা,
  • কেশব মহারাজ

ভারত বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা – ২য় টি২০, ড্রিম ১১


ভারত বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা প্রেডিকশন

টসে জিতবে

  • ভারত

টপ ব্যাটসম্যান (সর্বোচ্চ রানধারী)

  • ভারত – কেএল রাহুল
  • দক্ষিণ আফ্রিকা – ডেভিড মিলার

টপ বোলার (উইকেট শিকারী)

  • ভারত – দীপক চাহার
  • দক্ষিণ আফ্রিকা – কাগিসো রাবাদা

সর্বাধিক ছয়

  • ভারত – সূর্যকুমার যাদব
  • দক্ষিণ আফ্রিকা – কুইন্টন ডি কক

প্লেয়ার অফ দি ম্যাচ

  • ভারত – সূর্যকুমার যাদব

প্রথমে ব্যাটিং করলে দলীয় রান

  • ভারত – ১৯০+
  • দক্ষিণ আফ্রিকা – ১৮০+

জয়ের জন্য ভারত ফেভারিট।

 

সিরিজের প্রথম ম্যাচে, ভারতীয় আক্রমণের শক্তিশালী বোলিং পারফরম্যান্সের জন্য দক্ষিণ আফ্রিকা সবসময়ই পিছিয়ে ছিল। যদিও আমরা মনে করি এই ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকা টপ অর্ডারে আরও বেশি রান করবে, তবুও আমরা ভারতকে জয়ের জন্য সমর্থন করছি।

এশিয়া কাপে পাকিস্তানের হয়ে খেলছে মেয়ে, আম্পায়ারিংয়ে মা 

Daughter is playing for Pakistan in Asia Cup, mother is umpiring

অক্টোবর থেকে সিলেটে শুরু হয়েছে এবারের নারী এশিয়া কাপ ২০২২। তবে টুর্নামেন্ট শুরুর পরেই ভিন্ন একটি বিষয়ে খবরের শিরোনামে এবারের এশিয়া কাপ। ক্রিকেট ইতিহাসে এই প্রথম মাঠে দেখা মিলেছে মা মেয়ের।

দুজনের দায়িত্ব অবশ্য ভিন্ন হলেও, প্রতিনিধিত্ব করেছেন পাকিস্তানকে। একজন পাকিস্তান নারী দলের অলরাউন্ডার কাইনাত ইমতিয়াজ। অন্যজন তার মা সালিমা ইমতিয়াজ। মামেয়ে এবার ক্রিকেট বিশ্বে আলোচনায়।

ইতিহাসে প্রথমবারের মতো এবারের গোটা এশিয়া কাপ পরিচালিত হচ্ছে নারী আম্পায়ার দ্বারা। যেখানে আম্পায়ারিং অভিষেক হয়েছে সালিমার। শ্রীলংকার বিপক্ষে পাকিস্তানের ম্যাচে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। সেই ম্যাচে নিজে না খেললেও মায়ের এমন সাফল্যে অবশ্য অভিনন্দন জানাতে ভোলেননি মেয়ে কাইনাত।

ফেইসবুকে কাইনাত লিখেন, ‘আমার মাকে ২০২২ নারী এশিয়া কাপের আম্পায়ার হিসেবে দেখে খুবই আনন্দিত এবং গর্বিত। তার সাফল্যে আমার আনন্দ। আমার মা খুবই অনুপ্রেরণাদায়ী। সবসময় তার স্বপ্ন ছিল পাকিস্তানের প্রতিনিধিত্ব করা। আমিও সেই স্বপ্ন নিয়ে এগিয়েছি। অবশেষে আজ তার স্বপ্ন পূরণ হলো। আমরা একসঙ্গে পাকিস্তানকে প্রতিনিধিত্ব করছি। খুবই উত্তেজিত। আলহামদুলিল্লাহ।

কাইনাত পাকিস্তানের জার্সিতে এখন পর্যন্ত ১৫ টি ওয়ানডে এবং ২০ টি টি টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন।২৬৫ রানের পাশাপাশি নিয়েছেন ১৬ উইকেট। এদিকে মামায়ের এই অর্জনে বাবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান কাইনাত। তিনি দুজনকে সমর্থন দিয়ে গেছেন বলেও দাবী করেন এই পাকিস্তানি নারী ক্রিকেটার

মামেয়ের এই সাফল্য সাড়া ফেলেছে ক্রিকেট বিশ্বে। অনেকেই শুভেচ্ছা জানিয়েছেন দুজনকে। ক্রিকেট ইতিহাসে এমন ঘটনা বিরল। নেটিজেনরাও মা মেয়ের ছবি শেয়ার করে অভিনন্দন জানাচ্ছে।

ধাওয়ানকে অধিনায়ক করে ভারতের ওয়ানডে দল ঘোষণা 

India announce Dhawan led ODI team

এশিয়া কাপের ব্যর্থতার পর ঘরের মাঠে খেলতে নেমে দুর্দান্ত ছন্দে টিম ইন্ডিয়া। ভারতের মাটিতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টি টোয়েন্টি সিরিজ জেতার পর এবার দক্ষিন আফ্রিকার বিপক্ষেও টি টোয়েন্টি সিরিজ জিতল রোহিত শর্মারা। ম্যাচ সিরিজে পরপর দুই ম্যাচ জিতে সিরিজ জয় টিম ইন্ডিয়ার। 

এর মধ্যেই দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ঘরের মাঠে আসন্ন তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের জন্য দল ঘোষণা করেছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) এই ওয়ানডে সিরিজ থেকে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে আসন্ন টিটোয়েন্টি বিশ্বকাপের দলে থাকা খেলোয়াড়দের। ফলে এই সিরিজে ভারতকে নেতৃত্ব দেবেন বাঁহাতি ওপেনার শিখর ধাওয়ান।

দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ওয়ানডে খেলবেন টিটোয়েন্টি বিশ্বকাপের রিজার্ভ খেলোয়াড়ের তালিকায় থাকা শ্রেয়াস আয়ার, দীপক চাহার এবং রবি বিস্ময়। এছাড়া প্রথমবারের মতো দলে ডাক পেয়েছেন রজত পাতিদার এবং মুকেশ কুমার। দলে ফিরেছেন শাহবাজ খান। দলে আছেন ছন্দে থাকা ব্যাটসম্যান শুভমান গিলও।

গেল ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএল) আলো ছড়ানো তরুণ পেসার আবেশ খানও আছেন এই ওয়ানডে সিরিজে। অক্টোবর থেকে শুরু হবে এই দ্বিপাক্ষিক সিরিজটি। শেষ হবে ১১ অক্টোবর। এরমধ্যে অক্টোবর অস্ট্রেলিয়ার উদ্দেশ্যে দেশ ছাড়বে ভারতের বিশ্বকাপ দল। এজন্যই বিশ্বকাপ দলের কেউই খেলছেন না এই ওয়ানডে সিরিজে।

ইতোমধ্যে করোনা মুক্ত হয়ে দলের সঙ্গে অনুশীলন শুরু করেছেন মোহাম্মদ শামি। তবে এই দলে নেই এই পেসার। ফিটনেস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েই মূলত তাকে দলে ফিরতে হবে। নিজেকে সেভাবেই প্রস্তুত করছেন শামি। অন্যদিকে চোট কাটিয়ে দলে ফেরার অপেক্ষায় জাদেজাও। 

দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ভারতের ওয়ানডে দল:

শেখর ধাওয়ান (অধিনায়ক), ঋতুরাজ গায়কোয়াড়, শুভমান গিল, শ্রেয়াস আয়ার, রজত পাতিদার, রাহুল ত্রিপাঠি, ইশান কিশান (উইকেটরক্ষক), সানজু স্যামসন, শাহবাজ আহমেদ, শার্দুল ঠাকুর, কুলদীপ যাদব, রবি বিস্ময়, মুকেশ কুমার, আবেশ খান, মোহাম্মদ সিরাজ এবং দীপক চাহার।

নাফিস ইকবালের দাবি, কারও সঙ্গেই ঝামেলা হয়নি 

Nafees Iqbal claimed that there was no trouble with anyone

আসন্ন টিটোয়েন্টি বিশ্বকাপ এবং তার আগে নিউজিল্যান্ডে ত্রিদেশীয় সিরিজের আগে জাতীয় দলের সাবেক ক্রিকেটার নাফিস ইকবালকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তার জায়গায় দলের ম্যানেজারের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে রাবিদ ইমামকে। গুঞ্জন আছে, তার বিরুদ্ধে অভিযোগের কারণে তাকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে এই অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলেই উড়িয়ে দিয়েছেন নাফিস।

বিসিবির একজন পরিচালক দাবী করেননাফিসের কাছ থেকে ভালো ব্যবহার পাননি বলে অভিযোগ করেছেন দলের বেশ কয়েকজন ক্রিকেটার। আর ঐসব ক্রিকেটাররা এই অভিযোগ দিয়েছেন খালেদ মাহমুদ সুজনের কাছে। আর এর পরেই ম্যানেজার পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেয় বিসিবি

কিন্তু নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজের মাধ্যমে এই অভিযোগকে মিথ্যা বলে জানান নাফিস। তিনি লিখেছেন,” মিথ্যা অভিযোগের জবাব দেওয়ার সর্বোত্তম উপায় হাসি। সর্বশক্তিমান আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস রাখছি।

দায়িত্বে থাকা অবস্থায় কারও সঙ্গে ঝামেলা হয়নি দাবী করে নাফিস আরো জানানবিগত একবছর ধরে দায়িত্বে ছিলাম, দলের কোন খেলোয়াড় কিংবা টিম ম্যানেজমেন্টের কারো সঙ্গেই আমার ঝামেলা হয়নি কখনো। সময় আমাদের পারফরম্যান্স উঠা নামা করেছে কিন্তু পরিবেশ খুবই সুন্দর ছিল।

ব্যক্তিগত জীবনে তিনি টিম বাংলাদেশের ওয়ানডে দলের অধিনায়ক তামিম ইকবালের ভাই এবং আকরাম খানের ভাতিজা। তবে নাফিসের এই ইস্যুতে এখনো মুখ খোলেননি তামিম কিংবা আকরাম।

নাফিস ঘটনা প্রসঙ্গে আরো বলেন, ” অনেক সময় ভিত্তিহীন অনেক নিউজ হয়, যদি করতেই হয় তাহলে প্রোপার এভিডেন্স নিয়ে করুক। জানিয়ে দিক কে কথাটা বলেছে, তাহলে জানতে পারব সবকিছু 

দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়ার ব্যাপারটি তিনি আগে থেকেই জানতেন দাবি করে নাফিস আরো বলেনআমি আগে ক্রিকেট অপারেশনের ডেপুটি ম্যানেজার ছিলাম, এখনও তাই আছি। দলে আসলে ফিক্সড টিম ম্যানেজার বলে কেউ নাই, এটা আসলে রোটেশন পলিসি বলা যায়। আমি বিসিবির সিদ্ধান্তকে অবশ্যই সম্মান জানাই।

সব মিলিয়ে বছরের মত এই দায়িত্ব সামলেছেন নাফিস।আরব আমিরাত সিরিজের আগেই তাকে দায়িত্ব থেকে সরানোর কথা জানানো হয় বলে দাবী করেন নাফিস।সেই সাথে পুরো প্রক্রিয়া সম্মানের সাথে সম্পন্ন হয়েছে বলেও জানান জাতীয় দলের এক সময়ের এই ওপেনার। 

উল্লেখ্য ২০০৩ সালে বাংলাদেশের জার্সি গায়ে অভিষেক হয় নাফিসের। তিনি ১১ টেস্টে ৫১৬ রান এবং ১৬ ওয়ানডেতে ৩০৯ রান করেছেন। ২০০৬ সালের পর আর জাতীয় দলে খেলা হয়নি তার।

ভারতের বিশ্বকাপ দল নিয়ে সন্তুষ্ট দ্রাবিড়

Dravid is satisfied with India's World Cup team

অক্টোবরে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে শুরু হতে যাচ্ছে আসন্ন টিটোয়েন্টি বিশ্বকাপ। এই আসরে ভারতীয় দল খেলতে যাবে প্রধান কোচ রাহুল দ্রাবিড়ের অধীনে। বেশ কিছুদিন আগে বিশ্বকাপের জন্য দলও ঘোষণা করেছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) 

এরপরেই চারদিকে আলোচনা এই টিম কি ভারতকে শিরোপা এনে দিতে পারবে? দেরীতে হলেও বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন টিম ইন্ডিয়ার কোচ রাহুল দ্রাবিড়। তিনি জানালেন বিশ্বকাপ দল মনে ধরেছে তার।সেই সাথে দলের সদস্যদের নিয়ে নিজের আশার কথাও জানালেন দ্রাবিড়।

সংযুক্ত আরব আমিরাতে টিটোয়েন্টি বিশ্বকাপের গেল আসরে ফেভারিটের তালিকায় থেকেও চরম ভরাডুবির পরিচয় দিয়েছিলো বিরাট কোহলির নেতৃত্বাধীন ভারত। এরপরই বদল আসে দলের কোচিং এবং অধিনায়কত্বে। রবি শাস্ত্রীর জায়গায় দ্রাবিড়। কোহলির বদলে ভারতের নেতৃত্বভার ওঠে রোহিত শর্মার কাঁধে।

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে কঠিন চ্যালেঞ্জ হলেও এবারের বিশ্বকাপে মিশনে সতর্ক পরিকল্পনায় এগোচ্ছেন দ্রাবিড়। তিনি বলেন, ” ‘আমি সব বিষয় ভেঙে বলবো না। তবে আমি মনে করি, বিষয়ে আমরা সবসময়ই পরিষ্কার ছিলাম। সবচেয়ে বড় বিষয় হলো, বিশ্বকাপে আমরা নিজেদের চাহিদা অনুযায়ী সবকিছুই নিয়ে যেতে পারছি।

বিশ্বকাপে নিজের দল নিয়ে সন্তুষ্ট দ্রাবিড় আরো বলেন, ‘আমরা কোন ধরনের সমন্বয় চাই, তা নিয়ে খুব পরিষ্কার ছিলাম। কোন একাদশ খেলাতে চাই, সেটা নিয়েও স্পষ্ট ধারণা ছিল। এছাড়া কোন দক্ষতার খেলোয়াড় চাই, সেটাও আমাদের জানা ছিল। আমরা বিশ্বকাপে কেমন স্কোয়াড নিয়ে যাবো, সেটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

অবশ্য ভারতীয় দলে রয়েছে দুশ্চিন্তার খবরও। চোটের কারণে বিশ্বকাপে খেলতে পারবেন না অলরাউন্ডার রবীন্দ্র জাদেজা। দলের গুরুত্বপূর্ণ পেসার জসপ্রিত বুমরাহকে নিয়েও রয়েছে অনিশ্চয়তা। তবে সেসব না ভেবে দ্রাবিড় জানালেন, ‘চোট বা অন্যান্য সমস্যায় সবকিছু নিখুঁত হবে না। সবাই ফিট থাকলে দলের যে দক্ষতা, তা থেকে বলতে পারি দল নিয়ে আমরা স্বস্তিতে আছি।

এবারের এশিয়া কাপ ফেভারিট হিসেবে শুরু করেছিলো ভারত।কিন্ত শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হয়েই সুপার ফোর পর্ব থেকে বিদায় নিতে হয় রোহিত শর্মার দলকে। ভারতকে ভুগিয়েছে ডেথ ওভারের বোলিং। দেখা যাক ভুল শুধরে কতোটা সফল হয় রোহিতকোহলিরা।

ক্রিকেট হাইলাইটস, ০২ অক্টোবর : পাকিস্তান বনাম ইংল্যান্ড (৭ম টি২০)

পাকিস্তান বনাম ইংল্যান্ড (৭ম টি২০)– হাইলাইটস

এটি দুর্ভাগ্যজনক যে সিরিজের সমাপ্তিটি এত কম রোমাঞ্চকর ছিল কারন সেখানে সেরা আন্তর্জাতিক টিটোয়েন্টি ক্রিকেটের কিছু বৈশিষ্ট্য ছিল। এটি ইংল্যান্ডের শক্তিশালী সামগ্রিক দলের পারফরম্যান্সের কারণে হয়েছে, তাদের উইকেটে ২০৯ রানের স্কোর দিয়ে শুরু হয়েছিল, যা গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে পাকিস্তানকে বিশ্বরেকর্ড তাড়া করতে বাধ্য করে। তারা শেষ পর্যন্ত তাদের ২০ ওভারে উইকেটে ১৪২ রান করে। ৬৭ রানে জয়ের সাথেফরম্যাটে চতুর্থ বৃহত্তম পাকিস্তানের ব্যবধানেদুর্দান্ত বোলিং দিয়ে ইংল্যান্ডের জন্য সিরিজের জয়লাভ করেছে।

ডেভিড মালান এবং ক্রিস ওকসের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের কারণে লাহোরে ইংল্যান্ড ৬৭ রানে জিতেছে। এই জয়ে অতিথিরা আগের দুই সপ্তাহের ব্যবধানে ব্যবধানে সিরিজ জিতে নিয়েছে।

প্রথমে ব্যাট করার সময়, ইংল্যান্ড অ্যালেক্স হেলস এবং ফিল সল্ট উভয়ের সাথে ভাল শুরু করেছিল, কিন্তু তারা এটিকে উল্লেখযোগ্য স্কোরে পরিণত করতে পারেনি। পাওয়ারপ্লে শেষ হওয়ার কাছাকাছি সময়ে, দাউদ মালান খেলায় প্রবেশ করেন এবং অবিলম্বে দুর্দান্ত ফর্মে উপস্থিত হন কারণ তিনি অনায়াসে শূন্যস্থান পূরণ করেন। বেন ডাকেটের সহায়তায় স্কোরবোর্ড আপডেট রাখে ইংল্যান্ড।

মাত্র 19 বলে 30 রান করে ডাকেট রান আউট হলে মালানের সঙ্গে 54 রানের জুটি শেষ হয়ে যায়। হ্যারি ব্রুক তাদের উপর চমত্কার আক্রমণ শুরু করেছিল ঠিক যেমন দেখে মনে হয়েছিল যে পাকিস্তান একটি ফাঁক খুঁজে পেয়েছে।

সিরিজ নির্ধারণী খেলায়, ব্রুক এবং মালানের বাঁডান সংমিশ্রণে সেঞ্চুরি স্ট্যান্ড গড়েছিল যা ইংল্যান্ডকে 200 রানের উপরে নিয়ে আসে। মালান সিরিজের প্রথম ফিফটিতে জায়গা করে নেন এবং শেষ পর্যন্ত অপরাজিত ৭৮ রানে পৌঁছেন। হ্যারি ব্রুকও মাত্র ৩১ বলে ৪৬ রানে অপরাজিত থেকে পাকিস্তানের জন্য ২১০ রানের লক্ষ্য স্থির করেন।

তাড়া করার প্রথম দুই ওভারেই মোহাম্মদ রিজওয়ান বাবর আজম আউট হয়ে পাকিস্তানকে চাপে ফেলে দেয়। স্বাগতিকরা দ্রুত ৩৩/ নেমে যাওয়ায় ইফতিখার আহমেদও বেশিক্ষণ থাকতে পারেননি।

শান মাসুদ এবং খুশদিল শাহ স্কোরবোর্ডকে সচল রেখেছিলেন, কিন্তু পরবর্তীতে শেষ পর্যন্ত একটি বড় স্ম্যাশ করার চেষ্টা করেছিলেন এবং ক্রমবর্ধমান রান রেটের কারণে তার উইকেট হারান। পাকিস্তান যখন অতল গহ্বরে নামতে থাকে, আসিফ আলী এবং মোহাম্মদ নওয়াজের মতো ব্যক্তিত্বরাও অবদান থেকে দূরে সরে যান।

মাসুদ, ইতিমধ্যে, একটি নিরর্থক প্রচেষ্টায় আরও একটি পঞ্চাশ প্লাস স্কোর করে একজন মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান হিসাবে তার খ্যাতি মজবুত করেছেন। জবাবে, স্বাগতিকরা মাত্র 142/8 সংগ্রহ করতে পারে, ইংল্যান্ডকে 67 রানে জয় দেয়। এভাবে সাত ম্যাচের সিরিজ ব্যবধানে জিতেছে সফরকারীরা।

সুযোগে পৌঁছানোর প্রচেষ্টার অভাব এবং বোলারের প্রতিবাদের অভাব ইঙ্গিত দেয় যে খেলা শেষ হওয়ার অনেক আগেই শেষ হয়ে গেছে। যাইহোক, এই সাতটি খেলার পর সবচেয়ে বড় ছাপ ছিল ইংলিশ দলগুলোর পাকিস্তানি সফর কতদিন দেরিতে হয়েছে। এই সিরিজ থেকে বিশেষ করে বিশ্বকাপের আলোকে এটাই সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য সুবিধা।


পাকিস্তান বনাম ইংল্যান্ড এর স্কোরবোর্ড

পাকিস্তান – ১৪২/৮ (২০.০)

ইংল্যান্ড২০৯/৩ (২০.০)

ফলাফল – ইংল্যান্ড ৬৭ রানে জয়ী

প্লেয়ার অফ দ্য ম্যাচ – দাউদ মালান

প্লেয়ার অফ দ্য সিরিজ হ্যারি ব্রুক


পাকিস্তান বনাম ইংল্যান্ড (৭ম টি২০)– হাইলাইটস


পাকিস্তান বনাম ইংল্যান্ড ম্যাচের একাদশ

পাকিস্তান বাবর আজম (অধিনায়ক), মোহাম্মদ রিজওয়ান (উইকেট রক্ষক), শান মাসুদ, ইফতিখার আহমেদ, খুশদিল শাহ, আসিফ আলী, শাদাব খান, মোহাম্মদ নওয়াজ, মোহাম্মদ ওয়াসিম জুনিয়র, হারিস রউফ, মোহাম্মদ হাসনাইন
ইংল্যান্ড ফিলিপ সল্ট (উইকেট রক্ষক), অ্যালেক্স হেলস, ডেভিড মালান, বেন ডাকেট, হ্যারি ব্রুক, মঈন আলী (অধিনায়ক), স্যাম কুরান, ডেভিড উইলি, ক্রিস ওকস, আদিল রশিদ, রিস টপলে

সিপিএল শিরোপা ঘরে তুলল জ্যামাইকা

সিপিএল শিরোপা ঘরে তুলল জ্যামাইকা

এবারের ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (সিপিএল) উড়ন্ত সূচনা পায়নি জ্যামাইকা তালাওয়াশ। রয়েসয়ে পার হয়েছে গ্রুপ পর্ব। কিন্তু প্লেঅফে গিয়েই যেন বদলে গেল দলের রূপ। যেখানে দুটি ম্যাচেই দাপুটে জয় তুলে নিয়েছে দলটি। টুর্নামেন্টের ফাইনালেও পয়েন্ট টেবিলের সেরা দল বার্বাডোস রয়েলসকে স্রেফ উড়িয়ে দিয়েছে জ্যামাইকা।

শনিবার গায়ানার প্রভিডেন্স স্টেডিয়ামে সিপিএল ২০২২ এর ফাইনালে মুখোমুখি হয় জ্যামাইকা এবং বার্বাডোস। ম্যাচে টসে জিতে আগে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেন বার্বাডোস অধিনায়ক কাইল মেয়ার্স। ব্যাটিং করতে নেমে অবশ্য ভালো শুরুও পায় তারা। আজম খানের ফিফটির সুবাদে উইকেট হারিয়ে ১৬১ রানে সংগ্রহ পায় বার্বাডোস।

জ্যামাইকার বোলারদের মধ্যে সমান ৩টি করে উইকেট শিকার করেছেন ফ্যাবিয়ান অ্যালেন এবং নিকোলসন গর্ডন। অপরদিকে লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে বার্বাডোস বোলারদের উপর চড়াও হয়ে উঠেন জ্যামাইকা ওপেনার ব্রেন্ডন কিং। ৫০ বলে ৮৩ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেছেন ডানহাতি এই ব্যাটসম্যান।

এসময় কিংকে যোগ্য সঙ্গ দেন ৩৩ বলে ৪৭ রান করা শামার ব্রোকস। শেষদিকে দলীয় অধিনায়ক রোভমান পাওয়েল করেছেন ১৩ বলে ১৪ রান। আর তাতেই জয়ের বন্দরে নোঙর করে জ্যামাইকা। নিয়ে তৃতীয়বারের মতো সিপিএল চ্যাম্পিয়ন হয়েছে দলটি। এর আগে ২০১৩ সালে এবং ২০১৬ সালে শিরোপা ঘরে তুলেছে তারা।

এশিয়া কাপের সম্পূর্ণ টুর্নামেন্টেই থাকবে নারী আম্পায়ার

এশিয়া কাপের সম্পূর্ণ টুর্নামেন্টেই থাকবে নারী আম্পায়ার

অক্টোবর থেকে শুরু হয়েছে নারী এশিয়া কাপ ২০২২। এবারের মহাদেশীয় আসরটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে বাংলাদেশে। সিলেটে সেই টুর্নামেন্টটি পরিচালনা করবেন সম্পূর্ণ নারী আম্পায়াররা।  ক্রিকেটের ইতিহাসে এবারই প্রথম পুরুষ ছাড়া শুধুমাত্র নারীরাই কোনো টুর্নামেন্ট পরিচালনার রেকর্ড গড়বেন এবারের এশিয়া কাপে। রেকর্ড বুকে তাই উঠে যাচ্ছে এই আসরের নাম। সেই সাথে নাম উঠবে বাংলাদেশেরও। 

এবারের এশিয়া কাপ পরিচালনার দায়িত্বে আছেন মোট জন নারী আম্পায়ার। এরমধ্যে ভারত, পাকিস্তান এবং শ্রীলংকা থেকে আছেন দুজন করে আম্পায়ার। এছাড়া কাতার, মালয়েশিয়া এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে আছেন একজন করে। ম্যাচ রেফারি হিসেবে আছেন ভারত এবং শ্রীলংকা থেকে একজন করে নারী।

বাংলাদেশ এবং থাইল্যান্ডের মধ্যকার ম্যাচ দিয়ে শুরু হয় এই টুর্নামেন্ট। সাত দলের অংশগ্রহণে এবারের এশিয়া কাপ হচ্ছে লিগ পদ্ধতিতে। গোটা টুর্নামেন্টের ২৪টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে দুই ভেন্যু, সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম এবং সিলেট আউটার স্টেডিয়ামে। তবে বেশরিভাগ ম্যাচই হবে সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে।

লিগ পদ্ধতিতে প্রথম রাউন্ডের খেলা শেষে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে থাকা চার দল যাবে সেমিফাইনালে। ১৫ অক্টোবর ফাইনালের মধ্য দিয়ে পর্দা নামবে এবারের এশিয়া কাপের। যেখানে শিরোপা ধরে রাখার লড়াই করছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ। তবে স্বাগতিক হওয়া স্বত্বেও, আম্পায়ারদের রেকর্ডে অংশীদার হতে পারছেনা বাংলাদেশ।

তবে এশিয়া কাপের উদ্বোধনী ম্যাচে থাইল্যান্ডকে উড়িয়ে দিয়ে টুর্নামেন্টের শুভ সূচনা করে বাংলাদেশ। ঘরের মাঠে নিগার সুলতানারা চায় শিরোপা ধরে রাখতে। দেখা যাক শেষ পর্যন্ত নারী ক্রিকেট দলের শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট ওঠে কিনা বাংলাদেশের নারীদের হাতে। 

উল্লেখ্য এবারেই সম্পূর্ণ টুর্নামেন্ট জুড়ে নারী আম্পায়াররা ম্যাচ পরিচালনার দায়িত্বে থাকায় বিষয়টি সাড়া ফেলেছে ক্রিকেট বিশ্বে। নেটিজেনরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানাচ্ছেন মিশ্র প্রতিক্রিয়া।

বাংলাদেশের বিশ্বকাপের জার্সিতে ঐতিহ্যের ছাপ

বাংলাদেশের বিশ্বকাপের জার্সিতে ঐতিহ্যের ছাপ

১৬ অক্টোবর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে শুরু হতে যাচ্ছে টিটোয়েন্টি বিশ্বকাপের ৮ম আসর। ইতোমধ্যে দল ঘোষণা থেকে শুরু করে একে একে জার্সি উন্মোচনের কাজটাও সেরে ফেলছে অংশগ্রহণকারী দেশগুলো। এরই ধারাবাহিকতায় আসন্ন বিশ্বকাপের জন্য জার্সি উন্মোচন করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) টিম বাংলাদেশের জার্সিতে পাওয়া গেছে ঐতিহ্যের ছাপ।

বিসিবির অফিসিয়াল ফেইসবুক পেইজে প্রকাশিত সেই জার্সিতে বরাবরই প্রাধান্য পেয়েছে সবুজের আধিক্য। রয়েছে লাল রঙও। এবার ভার্চুয়ালি জার্সি উন্মোচনের কাজটা সারলো দেশের ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা। ফেইসবুকে একটি ভিডিও প্রকাশের মাধ্যমে এই জার্সি সবার সামনে তুলে ধরে বিসিবি।

এবারের বিশ্বকাপে টাইগারদের জার্সিতে স্থান পেয়েছে বাংলার ঐতিহ্যবাহী জামদানী, রয়েল বেঙ্গল টাইগার এবং সুন্দরবন। গাঢ় সবুজের মাঝে ব্যবহার করা হয়েছে কড়া লাল। রয়েছে জলছাপের সংযোজনও। বুকের বাম পাশে রাখা হয়েছে বিসিবির লোগো এবং ডান পাশে বিশ্বকাপের লোগো। বুকের নিচে সাদা রঙে লেখা বাংলাদেশ। জার্সি প্রকাশের পর নেটিজেনদের প্রশংসা কুড়াচ্ছে টিম বাংলাদেশের জার্সি। এই জার্সি পড়েই মাঠের ২২ গজে নামবে সাকিব বাহিনী। 

এশিয়া কাপ ব্যর্থতার পর বাংলাদেশ দল ঢেলে সাজাচ্ছে টিম ম্যানেজমেন্ট। ইতোমধ্যে এশিয়া কাপের দল থেকে বাদ দিয়ে দলে নেয়া হয়েছে বেশ কয়েক জন নতুন ক্রিকেটার। টিম বাংলাদেশের লক্ষ্য এবার বিশ্বকাপ৷ ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলতে ইতোমধ্যে দেশ ছেড়েছে টিম বাংলাদেশ। নিউজিল্যান্ডে দলের সঙ্গে যোগ দেবেন টি টোয়েন্টি অধিনায়ক সাকিব আল হাসান।

, , ১২ ১৩ অক্টোবর পাকিস্তান নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে খেলবে বাংলাদেশ। সেই সিরিজ শেষে বিশ্বকাপ মিশনের জন্য অস্ট্রেলিয়া যাবে বাংলাদেশ দল। যেখানে বাংলাদেশের প্রথম ম্যাচ ২৪ অক্টোবর।