Skip to main content

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিঞ্চ অধ্যায়ের সমাপ্তি

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিঞ্চ অধ্যায়ের সমাপ্তি

অনেক দিন ধরেই টেস্ট এবং ওয়ানডে খেলেন না অ্যারন ফিঞ্চ। টেস্ট এবং ওয়ানডের পর, এবার টি-টোয়েন্টি থেকেও অবসর নিলেন অস্ট্রেলিয়ার মারকুটে এই ওপেনার। গেল টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সময়েই সাবেক অধিনায়ক জানান, বিগ ব্যাশের সময় নিজের অবসরের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন। দেশটির ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক টি-টোয়েন্টি লিগের এবারের আসর দুই দিন আগে শেষ হয়েছে। অবশেষে কথা অনুযায়ী সব জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে  অবসরটাও নিয়ে নিলেন ফিঞ্চ।

সেই সাথে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পথচলা শেষ হলো ফিঞ্চের। জাতীয় দলের সূচি এবং নিজের খেলার সক্ষমতা বিবেচনা করেই অবসর নিয়েছেন তিনি। তবে একেবারেই যে ব্যাট – প্যাড তুলে রাখবেন তা নয়। বাইশ গজে আরো কিছুদিন খেলা চালিয়ে যাবেন তারকা এই ব্যাটসম্যান। তবে সেটা কেবল ঘরোয়া ক্রিকেটে। বিগ ব্যাশ সহ বিভিন্ন দেশের ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক টি-টোয়েন্টি লিগে খেলতে দেখা যাবে তাকে।

নিজের অবসর প্রসঙ্গে ফিঞ্চ বলেন, ” আমার মনে হয় না, ২০২৪ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ পর্যন্ত খেলা চালিয়ে যেতে পারবো। এজন্য এটাই আমার অবসর নেওয়ার উত্তম সময়। আমি যথাসময়ে অবসর নিলে, নতুন অধিনায়ক এসে পর্যাপ্ত সুযোগ পাবে। বিশ্বকাপের জন্য প্রস্তুতিটা ভালোভাবে নিতে পারবে। আমার দীর্ঘ ক্যারিয়ারে যারা সমর্থন দিয়ে গেছেন, তাদের সবার প্রতি আমার কৃতজ্ঞতা। সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ। “

ক্যারিয়ারে অর্জনও কম নয় ফিঞ্চের৷  অস্ট্রেলিয়াকে প্রথমবারের মতো টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শিরোপা জেতানো অধিনায়কও তিনি। তার নেতৃত্বে ২০২১ সালে সংযুক্ত আরব আমিরাতের মাটিতে, নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে শিরোপা জয়ের আনন্দে মাতে অজিরা। তার সামনে সুযোগ আসে, ২০২২ সালেও দেশকে শিরোপা এনে দেওয়ার। কিন্তু ঘরের মাঠের সেই বিশ্বকাপ আর সাফল্য পাননি। শেষমেশ গ্রুপপর্ব থেকেই বাদ পড়ে সন্তুষ্ট থাকতে হয় ফিঞ্চের দলকে।

উল্লেখ্য, অবসর নেওয়ার আগে অস্ট্রেলিয়ার জার্সিতে মোট ১০৩টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন ফিঞ্চ। যেখানে ৩৪.২৯ গড়ে মোট ৩১২০ রান করেছেন তিনি। এই ফরম্যাটে ১৯টি অর্ধশতকের সাথে ২টি শতকও হাঁকিয়েছেন অজি ব্যাটসম্যান। তারমধ্যে একটি শতক ছুঁয়ে ফেলেছে বিশ্বরেকর্ড। ২০১৮ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে, ৭৬ বলে ১৭২ রানের একটি ইনিংস খেলেন ফিঞ্চ। যা এখন পর্যন্ত আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ইতিহাসের সর্বোচ্চ ইনিংস হয়ে আছে।

আরো আজকের ট্রেন্ডিং

আইপিএল ২০১৩-এ মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের আধিপত্য: গোল্ড ব্রিলিয়ান্স দিয়ে জয়ের সিলমোহর!

ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) ২০১৩ মরসুমে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের আধিপত্য প্রদর্শনের সাক্ষী ছিল, ফাইনাল ম্যাচে তাদের বিজয়ী জয়ের সমাপ্তি ঘটে। তাদের গতিশীল অধিনায়ক, রোহিত শর্মার নেতৃত্বে, মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স পুরো টুর্নামেন্ট জুড়ে...

আইপিএল ২০১২-এ কলকাতা নাইট রাইডার্সের রাজত্ব সর্বোচ্চ: গোল্ড ব্রিগেডের জন্য একটি ঐতিহাসিক জয়!

আইপিএল ২০১২-এ কলকাতা নাইট রাইডার্সের রাজত্ব সর্বোচ্চ: গোল্ড ব্রিগেডের জন্য একটি ঐতিহাসিক জয়! ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) ইতিহাসে, ২০১২ মৌসুম একটি ঐতিহাসিক অধ্যায় হিসেবে দাঁড়িয়েছে, বিশেষ করে কলকাতা নাইট রাইডার্সের...

চেন্নাই সুপার কিংস ক্লিঞ্চ আইপিএল ২০১১ মুকুট: ইয়েলো টাইটানদের জন্য ব্যাক-টু-ব্যাক গ্লোরি!

চেন্নাই সুপার কিংস ক্লিঞ্চ আইপিএল ২০১১ মুকুট: ইয়েলো টাইটানদের জন্য ব্যাক-টু-ব্যাক গ্লোরি! প্রত্যাশাকে অস্বীকার করে এবং শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বিতা কাটিয়ে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) ইতিহাসের ইতিহাসে, ২০১১ মরসুম একটি স্মরণীয় অধ্যায়,...

আইপিএল ২০১০-এ চেন্নাই সুপার কিংসের জয়: হলুদ ব্রিগেডের জন্য একটি গৌরবময় বিজয়!

২০১০ সালটি ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএল) একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত হিসাবে চিহ্নিত হয়েছিল যখন চেন্নাই সুপার কিংস মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে একটি রোমাঞ্চকর ফাইনাল শোডাউনে তাদের প্রথম শিরোপা জিতেছিল। ক্যারিশম্যাটিক মহেন্দ্র সিং...